ঢাকা , রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫ , ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ নুরের ওপর হামলা গভীর ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের অংশ- অ্যাটর্নি জেনারেল একটি গোষ্ঠী নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে নুরের ওপর হামলায় জড়িত কেউ রেহাই পাবে না সাত বছর পর চীন সফরে গেলেন নরেন্দ্র মোদি অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি বদ্ধপরিকর- তারেক রহমান অদৃশ্য অরাজকতায় ষড়যন্ত্রের আভাস পোরশায় সবজি বাজারে ঊর্ধ্বগতি, কিনতে ক্রেতাদের পকেট খালি ধানের প্রকৃত নামেই চাল বাজারজাত করতে হবে গোমস্তাপুরে হাঁস পালন করে ভাগ্য পরিবর্তন, তরুণদের অনুপ্রেরণা শরিফুল ইসলাম গোমস্তাপুরে বারোমাসি আম চাষে সাফল্যের গল্প নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে দু-একটি দল ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে-সালাহউদ্দিন আহমদ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখছে ইসি রোডম্যাপ ঘোষণা সুষ্ঠু নির্বাচন ভন্ডুলের নীল নকশা-তাহের আদালতের প্রতি ‘আস্থা’ নেই বলে জামিন চাননি লতিফ সিদ্দিকী বিচার-সংস্কার নির্বাচনের মুখোমুখি গ্রহণযোগ্য নয়-সাকি তথ্য ক্যাডারে অসন্তোষ হতাশা সিনিয়রদের নির্বাচন না হলে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে-মির্জা ফখরুল আমরা পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ

ধানের প্রকৃত নামেই চাল বাজারজাত করতে হবে

  • আপলোড সময় : ৩০-০৮-২০২৫ ১১:৩১:৫০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-০৮-২০২৫ ১১:৩১:৫০ অপরাহ্ন
ধানের প্রকৃত নামেই চাল বাজারজাত করতে হবে
এখন থেকে মিনিকেট ও নাজিরশাইল নামে চাল বিক্রি করা যাবে না। বরং ধানের প্রকৃত নামেই চাল বাজারজাত করতে হবে। কারণ মিনিকেট এবং নাজিরশাইল বলে দেশের বাজারে কোনো ধান নেই। যদিও হরেক রকম মিনিকেট ও নাজিরশাইল চাল বাজারে বিক্রি হচ্ছে। মূলত ‘ব্রি-২৮’ ও ‘ব্রি-২৯’ ধানের চালই প্রযুক্তিগুণে বাজারে মিনিকেট ও নাজিরশাইল নামে বিক্রি হচ্ছে। একই চাল স্থান-কাল-পাত্রভেদে আড়তগুলোয় ভিন্ন ভিন্ন নামে ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী ওসব চাল বস্তাবন্দি হচ্ছে। কিন্তু এখন থেকে আর মিনিকেট ও নাজিরশাইল নামে চাল বিক্রি করা যাবে না। ওসব নামে চাল বিক্রি করলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এক শ্রেণির প্রতারক ব্যবসায়ী নামে-বেনামে মিনিকেট ও নাজিরশাইল নামে চাল বাজারজাত করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ধানের নামহীন ওসব বেনামি চাল বাজার থেকে প্রত্যাহারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর তিন ধাপের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রথম ধাপে জুলাইয়ের ভেতরে মিনিকেট, নাজিরশাইলসহ সব অননুমোদিত চাল বাজার থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। দ্বিতীয় ধাপে ১ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাজার থেকে প্রত্যাহার বা পরিবর্তিত প্যাকেট বা বস্তা সম্পর্কে বাজার মনিটরিং করা হবে। আর তারপর ১৬ আগস্ট থেকে মিনিকেট ও নাজিরশাইল নামে কোনো চাল বিক্রি করলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে।
সূত্র জানায়, মিনিকেট নামে চাল বিক্রির ওপর গত বছরই খাদ্য মন্ত্রণালয় নিষেধাজ্ঞা দিয়ে পরিপত্র জারি করেছে। তার আগে সরকার ২০২৩ সালে একটি বিধিমালা প্রণয়ন করে। আইনে চালের বস্তার গায়ে মিনিকেটের মতো ভিন্ন নাম লিখলে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা পর্যন্ড অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়। বিধিমালায় বলা হয়, কোনো অনুমোদিত জাতের খাদ্যদ্রব্য থেকে উপজাত হিসেবে প্রাপ্ত খাদ্যদ্রব্যকে ওই জাতের উপজাত হিসেবে নামকরণ (যেমন বিআর-২৮ ধান থেকে মিলিংয়ের পর প্রাপ্ত চালের নাম বিআর-২৮ চাল) করতে হবে। অন্য কোনো নামে যেমন মিনিকেট, কাজললতা, আশালতা, রাঁধুনি বা ওরূপ নামে নামকরণ করে বাজারজাত করা যাবে না। কিন্তু পালকি, মান্নান, শাহরিয়ার, কাটারি রয়েল ক্রাউন, মজুমদার, সেভেন স্টার, জারা, উৎসব হাসকি, নাজির সুপার প্রিমিয়াম, নাজির প্রিমিয়াম, সম্পা কাটারি, নাজিরশাইল গ্রেড এ, নাজিরশাইল প্রিমিয়াম, নাজিরশাইল ডায়মন্ড, নাজিরশাইল মুন্সীসহ বিভিন্ন নামে নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া সিরাজ, দাদা, রাজ্জাক, শামীম, মজুমদার, কাকলি, স্পেশাল, ইউনুস, ডাব, বনফুল বাঁশরি, সিয়াম, ওসমান, সায়েম, জায়েদা, শাকিল, রানা, আকিজ, তীর, নূর রহমান, এসিআই, রশিদ প্রমুখ নামে বাজারে মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান জানান, ধানের প্রকৃত নামেই সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে চাল বাজারজাত করতে হবে। এটা খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা। কিন্তু ধান না থাকলেও বাজারে মিনিকেট নামে চাল বিক্রি হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠানই প্যাকেটের গায়ে মিনিকেট লিখছে। এটা অপরাধ। সরকারি নীতিমালা মানা হচ্ছে না। প্রতিটি জেলায় ডিসিদের অননুমোদিত চাল সরবরাহ ঠেকাতে কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স